রেট ভাড়ার ওপর, দামের ওপর নয়
সিটি কর্পোরেশন (ট্যাক্সেশন) বিধি ১৯৮৬: বার্ষিক মূল্য = সম্ভাব্য বার্ষিক ভাড়া, তারপর দুই মাস রক্ষণাবেক্ষণ বাদ। ঢাকায় ৭% হোল্ডিং + ২% পরিচ্ছন্নতা + ৩% আলো = ১২%। কর্পোরেশন নিজে সার্ভে-রেট ধরে; আপনার প্রকৃত ভাড়া আর অ্যাসেসমেন্ট মিলতেই হবে না। ওয়ার্ডের ডিমান্ড নোটিশ চূড়ান্ত।
ঢাকা উত্তর, মাসিক ৳২৫,০০০
বার্ষিক ৳৩,০০,০০০ − দুই মাস = ৳২,৫০,০০০ × ১২% = ৳৩০,০০০/বছর। মালিক নিজে থাকলে আরও ৪০% ছাড় ধরে ৳১৮,০০০ — ওয়ার্ড সবসময় মানে না। চট্টগ্রাম ১৭% হলে একই ভাড়ায় ৳৪২,৫০০; রাজশাহী ২৭% হলে ৳৬৭,৫০০।
খালি ফ্ল্যাট বনাম ভাড়া
বিধির ফর্মুলা “সম্ভাব্য” ভাড়া — খালি থাকলেও অ্যাসেসমেন্ট চলতে পারে। ওয়ার্ড যদি মাসিক ৳২০,০০০ ধরে, ঢাকায় বছরে ৳২,৪০,০০০ − দুই মাস = ৳২,০০,০০০ × ১২% = ৳২৪,০০০। আপনার চুক্তির ভাড়া কম হলেও নোটিশ জিতবে যতক্ষণ আপিল না হয়।
When this does not apply
পৌরসভা/ইউনিয়নের হার আলাদা। নতুন সার্ভে বা খালি প্লটের ন্যূনতম ট্যাক্স এই ভাড়া-ফর্মুলা নয়। কেনার সময়ের রেজিস্ট্রেশন — জমি রেজিস্ট্রেশন।