বাংলাদেশ বোর্ড যে স্কেল ব্যবহার করে
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত গ্রেডিং অনুসারে এসএসসি ও এইচএসসি দুটোতেই একই ৫.০০ স্কেল। নম্বর শতাংশে ধরা হয়। দুই পেপারের বিষয় (বাংলা, ইংরেজি, এইচএসসির পদার্থ ইত্যাদি) আগে যোগ করে শতাংশ বের করা হয়, তারপর গ্রেড।
| Marks % | Letter | GP |
|---|---|---|
| 80–100 | A+ | 5.00 |
| 70–79 | A | 4.00 |
| 60–69 | A− | 3.50 |
| 50–59 | B | 3.00 |
| 40–49 | C | 2.00 |
| 33–39 | D | 1.00 |
| 0–32 | F | 0.00 |
এসএসসি ও এইচএসসি আলাদা কেন
এসএসসি: সাধারণত ৯টি মূল বিষয়। বাংলা ও ইংরেজি দুই পেপার মিলে একটি করে গ্রেড। বিজ্ঞান শাখায় পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান মূল; উচ্চতর গণিত বা কৃষি প্রায়ই চতুর্থ। জিপিএ = (মূল বিষয়ের GP যোগ + চতুর্থের বোনাস) ÷ মূল বিষয়ের সংখ্যা।
এইচএসসি: ৬টি মূল বিষয় (বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি + শাখার তিনটি) এবং ১টি চতুর্থ। ভাগ হয় ৬ দিয়ে, ৭ দিয়ে নয়। পদার্থ–রসায়ন–জীববিজ্ঞান–উচ্চতর গণিত দুই পেপার মিলে একটি গ্রেড।
চতুর্থ বিষয়ের বোনাস = সর্বোচ্চ (০, সেই বিষয়ের GP − ২)। এ প্লাস মানে +৩। সি বা তার নিচে বোনাস শূন্য। চতুর্থে ফেল পুরো ফল ফেল করায় না। কোনো মূল বিষয়ে ফেল হলে জিপিএ ০.০০। সর্বোচ্চ ৫.০০। গোল্ডেন এ প্লাস মানে সব মূল বিষয়ে এ প্লাস।
বিষয় কম্বিনেশন স্কুল–কলেজভেদে আলাদা হতে পারে। আপনার মার্কশিটে যা আছে সেটাই চূড়ান্ত। এই পাতা শিক্ষা বোর্ডের রেজাল্ট পোর্টাল নয়। ভর্তির কাট-অফ সনদের জিপিএ ধরে।