চিঠির উপরে দুই লাইন
সচিবালয়-ঘেঁষা অনেক চিঠিতে ইংরেজি তারিখ আর বঙ্গাব্দ পাশাপাশি থাকে। কেউ মনে করেন চৌদ্দ এপ্রিলই সবসময় এক বৈশাখ। অধিবর্ষ আর পঞ্জিকার নিয়মে দিন সরতে পারে। বাংলা তারিখ কনভার্টার গ্রেগরিয়ান থেকে বঙ্গাব্দ আর উল্টো দিক দেখায়, আজকের তারিখসহ। এটা বাংলা একাডেমির অফিসিয়াল সিল নয়।
বাংলাদেশের বঙ্গাব্দ ভারতের কিছু পঞ্জিকা থেকে ভিন্ন হতে পারে। অফিস যদি বাংলাদেশ বর্ষপঞ্জি চায়, সেই রেফারেন্স মিলিয়ে নিন। গুরুত্বপূর্ণ গেজেটের দিনে সরকারি পঞ্জিকা জিতবে। টুল একদিন ফারাক করতে পারে।
কখন দুই তারিখ লাগে? সরকারি স্মারক, স্কুল নোটিশ, সংস্কৃতি বিষয়ক অনুষ্ঠান, পহেলা বৈশাখের আদেশ। ব্যাংক চেকে সাধারণত গ্রেগরিয়ান। পাসপোর্ট ও জন্ম নিবন্ধন গ্রেগরিয়ান। ভুল জায়গায় শুধু বঙ্গাব্দ লিখলে ফর্ম ফেরত আসতে পারে।
নথিতে অফিসের পুরনো নমুনা দেখে ক্রম ঠিক করুন। কেউ ডানে খ্রিষ্টাব্দ, বামে বঙ্গাব্দ রাখেন। কেউ এক লাইনে স্ল্যাশ দেন। টুল থেকে কপি করে চিঠির এনকোডিংয়ে বসান। চিঠি বিজয় হলে তারিখও বিজয়। ইউনিকোড চিঠিতে ইউনিকোড তারিখ। তারিখ কনভার্টার এনকোডিং বদলায় না। দরকারে ইউনিকোড থেকে বিজয়। শুধু তারিখ ইউনিকোড আর বডি বিজয় মেশালে ডিটেক্টর মিশ্র বলে, শুধু তারিখ জাঙ্ক হয়। পুরো চিঠি আবার কনভার্ট নয়।
আজকের তারিখ আর মাসের বানান
পাতায় আজকের বঙ্গাব্দ দেখায় যদি সার্ভার তারিখ ঠিক থাকে। মধ্যরাতের পর ব্রাউজার ক্যাশ পুরনো তারিখ রাখতে পারে, রিফ্রেশ করুন। রাতের শিফটে নোটিশ ছাপলে তারিখ যাচাই করুন। রমজান ও ঈদ চাঁদ দেখে সরতে পারে। টুল ধর্মীয় চাঁদ গণে না, সিভিল তারিখ গণে। হিজরি আলাদা। জ্যোতিষ আলাদা। আদালতের সময়সীমা সাধারণত গ্রেগরিয়ান।
বাংলা মাসের নাম অফিসে ভুল বানানে লিখলে পরে খোঁজা কঠিন। “আশ্বিন” আর “আশিন” মিশিয়ে সার্চ নষ্ট হয়। অফিসের নির্দিষ্ট বানান থাকলে সেটাই রাখুন। টুলের বানান নমুনা হিসেবে কাজে লাগে। অগ্রহায়ণ নিয়ে তর্ক কমাতে এক বানান খাতায় আটকে রাখুন।
জন্মদিনের বঙ্গাব্দ বয়স পাতায়ও আসতে পারে। দুই পাতার তারিখ মিলিয়ে দেখুন। একদিন ফারাক হলে পঞ্জিকা মানুন। ফেসবুকে ইউনিকোড তারিখ। প্রেস বিজয় চাইলে পুরো নোটিশ একবার কনভার্ট করুন, তারিখ আলাদা নয় যদি একই ফাইল হয়।
ফাইল নামে গ্রেগরিয়ান রাখুন, সার্চ সহজ হয়। ইমেইলের বিষয় লাইনেও খ্রিষ্টাব্দ ভালো। সাজসজ্জায় বঙ্গাব্দ রাখা যায়। ১৪৩৩-কে ২০২৬ ভেবে বছর গুলিয়ে ফেলবেন না। দুই ক্যালেন্ডারের বছর সংখ্যা আলাদা।
এই পরামর্শ কখন কাজে লাগে না
জ্যোতিষ, চান্দ্র মাস, হিজরি তারিখ, চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত এই টুল নয়। বিদেশি ভিসা ফর্ম, পুরনো পান্ডুলিপির শকাব্দও নয়। এই সাইট পঞ্জিকা অফিস নয়। ছুটির আদেশ জিতবে। সহকর্মী ভারতীয় পঞ্জিকা মিশিয়ে দিলে বাংলাদেশের নোট মনে করাবেন। হেডারের তারিখ ফিল্ড কনভার্ট করে ভাঙবেন না। গুরুত্বপূর্ণ গেজেট ছাপার আগে পঞ্জিকা একবার মিলিয়ে নিন।
চৌদ্দ এপ্রিল আর এক বৈশাখ
মানুষ মনে করে চৌদ্দ এপ্রিলই সবসময় পহেলা বৈশাখ। অধিবর্ষ ও পঞ্জিকার নিয়মে দিন সরতে পারে। বাংলা তারিখ গ্রেগরিয়ান থেকে বঙ্গাব্দ, উল্টো দিক, আজকের তারিখ। বাংলা একাডেমি বা সরকারি পঞ্জিকা অফিস নয়। গুরুত্বপূর্ণ গেজেটের দিনে সরকারি পঞ্জিকা জিতবে। টুল একদিন ফারাক করতে পারে। বাংলাদেশের বঙ্গাব্দ ভারতের কিছু পঞ্জিকা থেকে ভিন্ন। অফিস বাংলাদেশ চাইলে সেই রেফারেন্স মিলান। সহকর্মী ভারতীয় অ্যাপের তারিখ এনে বসিয়ে দিলে নোট মনে করাবেন।
সরকারি স্মারক, স্কুল নোটিশ, সংস্কৃতি অনুষ্ঠান—দুই তারিখ লাগে প্রায়ই। ব্যাংক চেক, পাসপোর্ট, জন্ম নিবন্ধন—গ্রেগরিয়ান। ভুল জায়গায় শুধু বঙ্গাব্দ লিখলে ফর্ম ফেরত। নথির পুরনো নমুনা দেখে ক্রম ঠিক করুন। কেউ ডানে খ্রিষ্টাব্দ, বামে বঙ্গাব্দ। কেউ এক লাইনে স্ল্যাশ। টুল থেকে কপি করে চিঠির এনকোডিংয়ে বসান। চিঠি বিজয় হলে তারিখও বিজয়, দরকারে ইউনিকোড থেকে বিজয়। শুধু তারিখ ইউনিকোড, বডি বিজয়—ডিটেক্টর মিশ্র বলে, তারিখ জাঙ্ক। পুরো চিঠি আবার ঘোরাবেন না, তারিখটা মিলিয়ে নিন।
আজকের তারিখ, মাসের বানান, রমজান
সার্ভার তারিখ ঠিক থাকলে পাতায় আজকের বঙ্গাব্দ দেখায়। মধ্যরাতের পর ব্রাউজার ক্যাশ পুরনো রাখতে পারে, রিফ্রেশ করুন। রাতের শিফটে নোটিশ ছাপলে তারিখ যাচাই। রমজান ও ঈদ চাঁদ দেখে সরতে পারে। টুল সিভিল তারিখ গণে, ধর্মীয় চাঁদ নয়। হিজরি আলাদা পাতা নয় এই টুল। জ্যোতিষ আলাদা। আদালতের সময়সীমা সাধারণত গ্রেগরিয়ান। বাংলা মাসের বানান অফিসে এক রাখুন। আশ্বিন আর আশিন মিশিয়ে সার্চ নষ্ট। অগ্রহায়ণ নিয়ে তর্ক কমাতে খাতায় এক বানান আটকে রাখুন। টুলের বানান নমুনা, অফিসের নির্দিষ্ট বানান থাকলে সেটাই।
জন্মদিনের বঙ্গাব্দ বয়স পাতায়ও আসতে পারে। দুই পাতা মিলিয়ে দেখুন। একদিন ফারাক হলে পঞ্জিকা মানুন। ফেসবুকে ইউনিকোড তারিখ। প্রেস বিজয় চাইলে পুরো নোটিশ একবার কনভার্ট, তারিখ আলাদা নয় যদি এক ফাইল হয়। ফাইল নামে গ্রেগরিয়ান রাখুন, সার্চ সহজ। ইমেইল বিষয় লাইনে খ্রিষ্টাব্দ ভালো। সাজসে বঙ্গাব্দ রাখা যায়। ১৪৩৩-কে ২০২৬ ভেবে বছর গুলিয়ে ফেলবেন না। দুই ক্যালেন্ডারের বছর সংখ্যা আলাদা। ছুটির আদেশে যে তারিখ, সেটাই অফিস ছুটি। টুলের তারিখ দিয়ে ছুটি বাড়াবেন না।
হেডার ফিল্ড কনভার্ট করে ভাঙবেন না। গুরুত্বপূর্ণ গেজেট ছাপার আগে পঞ্জিকা একবার মিলিয়ে নিন। পুরনো পান্ডুলিপির শকাব্দ এই টুল নয়। বিদেশি ভিসা ফর্ম গ্রেগরিয়ান। বিয়ের কার্ডে বঙ্গাব্দ সাজসজ্জা, নিবন্ধন গ্রেগরিয়ান। দুইটা গুলিয়ে কার্ড ছেপে নিবন্ধন অফিসে ভুল তারিখ দেবেন না। কার্ড সুন্দর হোক, ফর্ম ঠিক থাকুক। এই ফারাকটা মনে রাখলেই বেশিরভাগ ভুল কমে।
বিয়ের কার্ড আর নিবন্ধন অফিস
কার্ডে বঙ্গাব্দ সুন্দর। নিবন্ধনে গ্রেগরিয়ান লাগে। কার্ড ছেপে নিবন্ধনে ভুল তারিখ নিয়ে গেলে লাইন নষ্ট, দিন নষ্ট। দুই তারিখ খাতায় লিখে কার্ডে সাজসজ্জা, ফর্মে খ্রিষ্টাব্দ। টুল দুই দিক দেখায়, আপনি দুই জায়গায় দুইটা বসান, একটা নয় দুই জায়গায়। ছুটির আদেশে যে তারিখ, অফিস সেদিন বন্ধ। টুলের পহেলা বৈশাখ একদিন সরে থাকলেও আদেশ জিতবে। আদেশ ছাপিয়ে টুল দেখিয়ে ছুটি বাড়াবেন না। বাড়ালে সহকর্মী বিভ্রান্ত, রেজিস্টার ভুল। রেজিস্টার ভুল পরে অডিট। অডিট এড়াতে আদেশ। টুল সাজসজ্জা ও খসড়া স্মারক। স্মারকের চূড়ান্ত পঞ্জিকা মিলিয়ে। মিলানো এক মিনিট। না মিলিয়ে ছাপা এক রাতের ভুল, সারা বছরের নথি। নথি বাঁচাতে মিনিট দিন। মধ্যরাতে নোটিশ ছাপলে তারিখ বদলায় কি না দেখুন। ক্যাশ রিফ্রেশ। ছোট কাজ, বড় নোটিশ বাঁচে। নোটিশ বাঁচলে অফিস বাঁচে সেদিনের জন্য। সেদিনই যথেষ্ট। কাল আবার দেখবেন। আজকের তারিখ আজ মিলান। কালের তারিখ কাল। আগামীকালের নোটিশ আজ ছাপলে তারিখ আগামীকালের দিন। গুলিয়ে ফেলবেন না। গুলিয়ে ফেলা মানুষের কাজ, টুলের নয়। মানুষ সাবধান হলে টুল যথেষ্ট।
ইমেইলের বিষয় লাইনে বঙ্গাব্দ দিলে সার্চ কঠিন হয় পরে। বিষয়ে খ্রিষ্টাব্দ, বডিতে দুই তারিখ যদি অফিস চায়। চায় না তো গ্রেগরিয়ানই যথেষ্ট অনেক চিঠিতে। যথেষ্ট জেনে সাজসজ্জা বাড়াবেন না যেখানে ফর্ম ফেরত আসে। ফেরত আসা তারিখের ব্যথা চেকের মতো। মতো বলে সাবধান। সাবধান থেকে টুল খুলুন খসড়ার সময়, ছাপার মুহূর্তে নয় শুধু। মুহূর্তে তাড়া, তাড়ায় ভুল বছর। ভুল বছর নথিতে এক যুগ থাকে। থাকে বলে খসড়ায় মিলান। মিলিয়ে সহকর্মীকে দেখান যদি দুই তারিখের চিঠি হয়। দেখানো এক মিনিট। মিনিট না দিয়ে ছাপা রাতের ভুল। ভুল না চাইতে মিনিট দিন। দিয়ে তারপর প্রেস। প্রেস বিজয় চাইলে তারিখসহ পুরো কপি কনভার্ট। কনভার্ট শেষে তারিখ পড়ুন চোখে। চোখে ১৪৩৩ আর ২০২৬ গুলিয়ে আছে কি না। না থাকলে পাঠান। থাকলে ফিরে খসড়ায়। খসড়া ইউনিকোডে রাখুন সবসময় তারিখের উৎস হিসেবে। উৎস নষ্ট করে আউটপুটে তারিখ ঠিক করবেন না বারবার। বারবার ভাঙে। ভাঙতে না দিতে উৎস আগে, আউটপুট শেষে একবার। একবারই যথেষ্ট যদি গন্তব্য জানা থাকে। জানা না থাকলে ফোন। ফোন সস্তা। ভুল নথি দামি। দামি না করতে ফোন করুন আজ। আজকের ফোন কালকের নথি বাঁচায়। বাঁচাক।